স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার -২০২৬’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবিরের (কমিটি ও অর্থনৈতিক) সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে খালেদা জিয়াসহ ২০ জনকে এ বছর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন যারা—
২. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, মুক্তিযুদ্ধ
৩. মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ
8. অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
৫. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চিকিৎসাবিদ্যা
৬.ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সাহিত্য
৭. এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), সংস্কৃতি
৮. বশির আহমেদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতি
৯. জোবেরা রহমান (লিনু), ক্রীড়া
১০. পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), পল্লী উন্নয়ন
১১. ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), সমাজসেবা/ জনসেবা
১২. এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সমাজসেবা/ জনসেবা
১৩. মো. সাইদুল হক, সমাজসেবা/ জনসেবা
১৪. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, সমাজসেবা/ জনসেবা
১৫. মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), সমাজসেবা/ জনসেবা
১৬. কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), জনপ্রশাসন
১৭. মোহাম্মদ আবদুল বাকী, পি এইচ ডি, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ
১৮. অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ
১৯. অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ
২০. আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু), পরিবেশ সংরক্ষণ
উল্লেখ্য, সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার হিসেবে ‘স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার’ ১৯৭৭ সাল থেকে চালু হয়। স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
এই পুরস্কার জাতীয় জীবনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিক এমন ব্যক্তি বা গোষ্ঠিকে প্রদান করা হয়ে থাকে। এছাড়াও ব্যক্তির পাশাপাশি জাতীয় জীবনের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অনন্য উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য প্রতিষ্ঠানসমূহকেও এই পুরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে।