শরীয়তপুরে অভিনব উপায়ে তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে আলোচনায় এসেছেন কয়েকজন কৃষক। ড্রামে তেল বিক্রি নিষিদ্ধ এমন ধারণা থেকে তারা সেচ কাজে ব্যবহৃত পাম্প মেশিন খুলে মাথায় করে ফিলিং স্টেশনে নিয়ে আসেন তেল নেওয়ার জন্য।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন কৃষক তাদের ব্যবহৃত সেচ পাম্প মেশিন খুলে সরাসরি ফিলিং স্টেশনে নিয়ে এসেছেন। সেখানে মেশিনে তেল ভরার প্রস্তুতি নিতে দেখা যায় তাদের।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মেসার্স চোকদার ফিলিং স্টেশনে তেল সংগ্রহ করতে যান ওই কৃষকরা। তারা ধারণা করেছিলেন, বোতল বা ড্রামে তেল দেওয়া হয় না বিধায় মেশিনসহ উপস্থিত হলে সহজেই তেল সংগ্রহ করা যাবে।
ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া খোলা পাত্র বা ড্রামে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হয় না। তবে কৃষি কাজে ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কৃষি অফিসের অনুমোদনপত্র বা চাহিদাপত্র থাকলে নির্ধারিত নিয়মে তেল সরবরাহ করা হয়।
মেসার্স চোকদার ফিলিং স্টেশনের পরিচালনাকারী আব্দুল জব্বার বলেন, অনেকেই ভুল ধারণা থেকে মনে করেন, পাম্প থেকে বোতল বা ড্রামে তেল দেওয়া হয় না। এ কারণে কেউ কেউ মেশিন খুলে নিয়ে আসেন। তবে যাদের কাছে কৃষি অফিসের অনুমোদন থাকে, তারা নিয়ম মেনেই তেল নিতে পারেন।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলছেন, সচেতনতার অভাব ও সঠিক তথ্য না জানার কারণেই কৃষকরা এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন। কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে জানানো হলে এ ধরনের বিভ্রান্তি দূর হবে বলে মনে করছেন তারা।