৩৫ বছর পর আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত দুটি শক্তি হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবির।
ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনের পর এবার রাকসুকে ঘিরে নতুন ভোরের প্রত্যাশায় মাঠে নেমেছে ছাত্রদল। কৌশলী প্যানেলের পাশাপাশি ভিন্ন ধাঁচের প্রচারণাতেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে ছাত্রশিবিরের নেতা ও জনশক্তি তৈরির আঁতুরঘর হিসেবে পরিচিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে ডাকসু-জাকসুর মত শিবির প্যানেলের ভূমিধস বিজয়ের প্রত্যাশা নিয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন নেতাকর্মীরা। ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ নামের বৈচিত্র্যময় প্যানেল করে প্রথমেই চমক দেখিয়েছে ছাত্রশিবির।
প্যানেলে সাবেক সমন্বয়ক, সনাতনধর্মী, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, জুলাই আন্দোলনে চোখ হারানো যোদ্ধা, সংস্কৃতিকর্মী ও নারী শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রচারণার ক্ষেত্রেও বৈচিত্র্যময় বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭টি আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস চষে বেড়াচ্ছেন প্যানেলের প্রার্থীরা। ফলে ডাকসু-জাকসুর মত কেন্দ্রীয় সংসদের অধিকাংশ পদে জয়ের ফলস ঘরে তুলতে যারপরনাই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা।
থাকে। তাদের মনে আঘাত লাগতে পারে। আমরা নারী শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বী সবাইকে সম্মান-শ্রদ্ধা করি। সকল মতাদর্শ একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
তিনি বলেন, রাকসুতে আমরা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও সমস্যাগুলো সরাসরি শুনে সেগুলোর সমাধানকে আমাদের ইশতেহারে রাখছি। আমরা চাই- একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক শিক্ষাঙ্গন, যেখানে ভিন্নমত দমন নয় বরং অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি চর্চা হবে।
ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক শক্তিকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। শেষ পর্যন্ত আমাদের লক্ষ্য একটাই শিক্ষার্থীদের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। আমরা বিশ্বাস করি, রাকসুতেও শিক্ষার্থীরা আমাদের ওপর আস্থা রাখবেন।