• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যেই ১৫০০ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া ঝড় তুলে হারানো রাজত্ব দখল করলেন পোলার্ড মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর বৈঠক মেসিদের বিপক্ষে বিশ্বকাপ মাতানো ফুটবলার খেলবেন বাংলাদেশের লিগে এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামলাতে কান্নাকাটি করছেন বিরোধী দলের ৯০ এমপি: রাশেদ খাঁন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানালেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ‘সরকার সবার সহায়তায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দূর করতে পারবে’ ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসব উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু করছে হাইওয়ে পুলিশ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট বর্তমান সরকারের তৈরি নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মাসুম খান / ১৫৬ Time View
সময় : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. রেজাউল করিম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম প্রধান।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওই যুবকের নাম মো. অরুণ ভূঁইয়া (৫০)। তিনি মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের ভূঁইয়া বাড়ির আব্দুল কাদির ভূঁইয়ার ছেলে।মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৯ জুলাই সকালে ভুক্তভোগী শিশুটি তার ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি জমিতে বীজ পাহারা দিতে যায়। পরে ওই শিশুটিকে সেখানে রেখে তার ভাই বাড়িতে খাবার খেতে গেলে সুযোগ পেয়ে আসামি শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি তার দাদিকে ঘটনাটি জানায়। সেদিন শিশুটির বাবা-মা চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। তারা বাড়িতে ফিরে ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে ১৪ জুলাই মতলব উত্তর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

 

মামলাটির তদন্ত করেন তৎকালীন মতলব উত্তর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোবারক আলী। তিনি ১৫ জুলাই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ২০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানা মুক্তা জানান, মামলায় ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ, আসামির স্বীকারোক্তি এবং মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামির উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন।


More News Of This Category