জ্বালানি লোডিং কার্যক্রমে উপস্থিত থাকবেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং রুশ পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম-এর মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ। ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হবেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি প্রবেশ, পরীক্ষামূলক উৎপাদন এবং ধাপে ধাপে সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে পূর্ণ উৎপাদনে যেতে প্রায় ১০ মাস সময় লাগতে পারে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বলছেন, সময় স্বল্পতার কারণে এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট উপস্থিত থাকতে পারছেন না। তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং রাশিয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্প এলাকায় উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শেষ হতে ৪৫ দিন সময় লাগবে। জুলাইয়ের শেষে অথবা আগস্টের শুরুর দিকেই প্রথম ইউনিট থেকে অন্তত ৩শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। সেই সঙ্গে চলতি বছরের শেষ নাগাদ বা আগামী বছরের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। এতে ১২০০ মেগাওয়াট নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ মিলবে।
১৯৬১ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্প স্বাধীনতার পর নতুন করে গতি পায়। ২০১১ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে রাশিয়ার আন্তরাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে নির্মাণকাজ শুরু হয়। বর্তমানে দুটি ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দীর্ঘমেয়াদে সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব হলেও নিরাপত্তা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি।